অনলাইন ডেস্কঃ সদ্যপু্স্করিনী ইউনিয়নে মাদক শব্দটি উচ্চারণ হলেই শিশু থেকে বৃদ্ধ এর মাথায় যে নামটি আসে প্রথমে সেটি হচ্ছে মাদক সম্রাট কানা সুজনের নাম । রংপুর সদর উপজেলার সদ্যপুস্করিনী ইউনিয়নের জয়রাম গ্রামের রুস্তম আলীর পুত্র মোঃ সুজন মিয়া (৪০) ওরুফে কানা সুজন নয়াপুকুর কলেজ বাজারে লোকদেখানো অবৈধ্য ভাবে ডিমের লডারি পরিচলনা করে আসলেও তার মূল ব্যাবসা হচ্ছে চোলাই মদ,ফেন্সিডিল ও গাজা বলে অভিযোগ করেন এলকাবাসী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যুবক বলেন, দির্ঘ্যদিন থেকে এলাকায় মাদক ব্যাবসা করে আসতেছেন কানা সুজন। কয়েক বার জেলেও গিয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। কানা সুজিন এবার জেল থেকে বের হয়ে এসে সদ্যপুস্করিনী ইউনিয়নে মাদকের একটি বিস্তার নেটওযারর্কের সৃষ্টি করেছেন যা ভেঙ্গে ফেলা অসম্ভব বলে দাবী করেন সেই যুবক। সেই যুবক আরো বলেন,এই সুজনরাই সমাজটাকে নষ্ট করে ফেলছে। এদের জেলে দিলে আইনের ফাক-ফোকো দিয়ে বার বার বের হয়। এই সকল ব্যাবসায়ীদের ক্রস ফায়ারের দাবী জানাচ্ছি যাতে মাদক ব্যাবসায়ী ও সেবনকারীরা ভয় পায়।

হাবিবুর রহমান নামে কলেজ ছাত্র বলেন, আমরা মাদকের বিরুদ্ধে ওয়ান এগারোর মত দেখতে চাই গ্রেপ্তার নয় সরাসরি ক্রস ফেয়ার। যাতে আর কেউ মাদক ব্যাবসা ও সেবন করার সাহস না পায তাহলে কিছুটা হলেও মাদক বন্ধ হবে বলে আশা করা যায়।
ক্রিয়াবান্ধব ও সুশিলসমাজের ব্যাক্তিরা বলছেন, এই সকল ম্দক ব্যাবসায়ীদের জন্য আজ যুবকরা খেলার মাঠ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। আসলে মাদক ব্যাবসায়ীদের গ্রেপ্তার নয় বরং তাদের ক্রস ফায়ারের দাবী জানাচ্ছি আমরা।
এই বিষয়ে রংপুর সদর কোতয়ালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত)মোঃ জহুরুল হক বলেন,আমরা সর্বদাই মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছি । আমাদের মাদক বিরোধী অভিযান চলমান রয়েছে। আমরা তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করব।
ক্রস ফায়ার চাই
ক্রস ফায়ার চাই কানা সুজনদের মত মানুষের
সিগারেট কোনো ভাবেই ছোটো নেশা না।
বিড়ি সিগারেট ক্ষুদ্র নেশা থেকে বিশাল মাদক আসক্তে জরিত ছোটো ছেলে পেলে থেকে শুরু করে সবাই।।।
সকল দোকানের সিগারেট এর মতো নেশা বাতিল করলে সমাজ কে মাদক মুক্ত করা সম্ভব হবে ইনশাআল্লাহ
সিগারেট কারখানা বন্ধ করতে হবে।।