1. bdshamasundari@gmail.com : bdshamasundari : rone
  2. chattogramcrimenews@gmail.com : chattogramcrimenews : chattogramcrimenews
  3. doinikuttorerdinkal@gmail.com : doinikuttorerdinkal : doinikuttorerdinkal
  4. vantagesoftglobal@gmail.com : vantagesoftglobal vantagesoftglobal : vantagesoftglobal vantagesoftglobal
বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন

লবিং ও দুর্নীতিবাজ রংপুরের এডিসি রমিজ আলম

Reporter Name
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৩৮৭ টাইম ভিউ

রংপুর প্রতিনিধিঃ রংপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রমিজ আলম। গোপন দুর্নীততে যার নাম এখন রংপুরের জনগণের মুখে মুখে। রংপুরের আট উপজেলার ৩১টি ইটভাটার চিমনি ভেঙে দেয়ার পর আবার চালু করতে ভাটা মালিকদের কাছ থেকে চার কোটি টাকা নগদ নেয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া ১৪১টি অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদের ভয় দেখিয়ে আরো আদায় করা হয়েছে  ছয় কোটি টাকা। তার বিরুদ্ধে রয়েছে নানা রকম অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ।

জানা গেছে, রংপুর জেলায় মোট ২৪০টি ইটভাটা রয়েছে। এর মধ্যে ১৭২টি অবৈধ ইটভাটা। উচ্চ আদালত সারা দেশের অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদের নির্দেশ দেয়ার পর অবৈধ ভাটায় ইট উৎপাদন বন্ধে অভিযান শুরু করে রংপুর জেলা প্রশাসন। ৩১টি লাইসেন্সবিহীন অবৈধ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিয়ে কোটি টাকার বিনিময়ে আবার চালু করেছে ইটভাটা গুলো। নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক এক ইট ভাটার মালিক জানান, রংপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রমিজ আলম একদিন ডেকে নিয়ে ৭০ লাখ টাকা দাবি করেন। পরে তাঁর পাঠানো এক ব্যক্তিকে ৪০ লাখ টাকা দিয়েছি। মৌসুম শুরু করার জন্য এ ছাড়া কোন উপায় ছিল না। পরিবেশ অধিদপ্তর, বিএসটিআইয়ের কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে ৩১টি গুঁড়িয়ে দিলেও লাভের গুড় খেয়েছে জেলা প্রশাসন। তাই বিষয়টি টক-অবদ্যা টাউনে পরিণত হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, লবিং বাজ রমিজ আলম ২০২২ সালের মার্চ মাসে রংপুর বিভাগের নীলফামারী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সিনিয়ন সহকারী কমিশনার হিসেবে যোগদান করেন। একই বছরের মে মাসে ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। ডোমার উপজেলায় ২০২২-২৩ অর্থ বছরের এডিপির সিংহভাগ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠে তার বিরুদ্ধে।

তাই লবিং করে একই বছরের নভেম্বর মাসের ১৩ তারিখ ডোমার উপজেলা থেকে বদলী হয়ে দিনাজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। ডোমার উপজেলায় মাত্র ৬ মাস দ্বায়িত্ব পালন করা রমিজ আলম’এর বদলি জনিত বিদায়ী সংবর্ধনায় নীলফামারী-১ ডোমার ডিমলা আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকার নিজে উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে, দিনাজপুর সদর উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তার সাথে সমন্বয় করে ২০২২-২৩ অর্থ বছরে টিআর কাবিখা বরাদ্দের সিংহভাগ লুট করেন। মাত্র ৬ মাসের ব্যবধানে আওয়ামী মন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর মাধ্যমে ২০২৩ সালের ১৭ মে মাসে দিনাজপুর সদর উপজেলা থেকে বদলি হয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে যোগদান করেন। ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় আশ্রয়ন প্রকল্প থেকে একং পীরগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্ব পেয়ে অল্প সময়ে মোটা অংকের টাকা পকেটস্থ করে লবিং এর মাধ্যমে চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারী  রংপুর জেলা প্রশাসনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেন।

মানবাধিকার কর্মী দিল আফরোজা বলেন, মোঃ রমিজ আলম একজন সরকারী কর্মকর্তা। তিনি যে দুর্নীতিবাজ ছিলেন সেটিঅল্প সময়ে তিন উপজেলার ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালনই বলে দেয়। তিনি দুর্নীতির কোন প্রমাণ রাখতে চাননি। তাই ষ্টেশন বদল করেছে। দুদকের চোখ এগুলো কখনো দেখবে না। তাই প্রতিকারও হবে না।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025
Developer By Zorex Zira